এই সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি তার (খালেদা জিয়া) পরিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে মুক্তির এক্সটেনশন চেয়ে আবেদন করেছেন। সেটা এখনও আমি পাইনি। পেলে দরখাস্ত দেখে বিবেচনা করা হবে।‘
খালেদার স্থায়ী জামিনের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রথমে কারেকশন করতে চাই খালেদা জিয়া জামিনে নেই। কোনও আদালত থেকে জামিন দেয়নি। গত মার্চ মাসে তার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি দরখাস্ত করা হয়েছিল স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য কোনও নির্বাহী আদেশে তাকে যেনও জেলখানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী মানবিক দিক চিন্তা করে আমাদের দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১১ ধারায় তার (খালেদা) দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তাকে ছয় মাসের মুক্তি দেওয়ার জন্য। গত ২৫ মার্চ সেই আদেশে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন তিনি একটি দরখাস্ত পেয়েছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের ছয় মাস সাজা স্থগিতের সময় শেষ হয়ে যাবে। তারা সেটার এক্সটেনশন চেয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেই দরখাস্তের কপি আমার কাছে পাঠিয়েছেন। তবে সেটা এখনও আমার কাছে এসে পৌঁছায়নি। পৌঁছালে আমরা বিবেচনা করবো। দরখাস্ততে কী লিখেছেন সেটা এখনও আমি জানি না। সেক্ষেত্রে আমি কী বিবেচনা করবো দরখাস্ত না পড়ে কথা বলাটা আমার জন্য ঠিক হবে না।’
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত করে ছয় মাসের মুক্তি পাওয়ার পর থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজাতেই আছেন খালেদা জিয়া। নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এই দুই শর্তে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তার মুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন