এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে আমরা তথ্য পাচ্ছি যে রাখাইনে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী অনেকগুলো গ্রামে হামলা চালিয়েছি। এর ফলে নতুন করে রোহিঙ্গারা আসা শুরু করবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সীমান্তে আমরা প্রহরা জোরদার করেছি।
এ বিষয়ে মিয়ানমারে সাবেক ডিফেন্স এটাশে মোহাম্মাদ শহীদুল হক বলেন, ‘মিয়ানমারে নভেম্বরে নির্বাচন এবং ওই দেশের মিলিটারি উত্তর রাখাইনে কয়েকটি অঞ্চলে নির্বাচন স্থগিত করার জন্য ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে।’
ওইসব অঞ্চলে সামরিক বাহিনী আক্রমণ চালাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের সহিংস আক্রমণ সীমান্তবর্তী কারেন ও শানসহ আরও কয়েকটি জায়গায় হচ্ছে।
তিনি জানান, ইয়াঙ্গুনসহ মিয়ানমারের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অং সান সু চি জনপ্রিয়। এ কারণে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা যাতে করে সামরিক বাহিনী সমর্থিত দল নির্বাচনে জিততে পারে।
মিয়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে জাতিগত সমস্যা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান ইতিমধ্যে বলেছেন সমস্যা সমাধানের জন্য শান্তি আলোচনা সু চির কারণে সম্ভব হচ্ছে না।
মিয়ানমার সেনাবাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে সীমান্ত অঞ্চলে আক্রমণ করছে জানিয়ে শহীদুল হক বলেন, নির্বাচন পর্যন্ত মিয়ানমারের প্রতি তীক্ষ্ণ নজর রাখা দরকার।