বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক চলতি মাসে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে হবে বলে দুপক্ষ একমত হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর এক টেলিফোন আলাপে এ বিষয়ে একমত হন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে মোমেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে মোমেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের মধ্যে ভালো আলোচনা হয়েছে। আমরা একমত হয়েছি এ মাসের শেষে জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক করবো এবং এটি ভার্চুয়াল বৈঠক হবে।’ কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে ষষ্ঠ জেসিসি ভার্চুয়াল মাধ্যমে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন এই মহামারি চলে গেলে বাংলাদেশে উনি প্রথম সফর করবেন।

বৈঠকে বিষয় প্রাধান্য পাবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ভারতের কাছ থেকে আমরা ৮০০ কোটি ডলারের লাইন অফ ক্রেডিট পেয়েছি কিন্তু এর অধীনে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ধীরগতিতে হচ্ছে। আমরা কিভাবে প্রকল্পগুলি দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করবো।

উল্লেখ্য ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রীংলা গত মাসে ঢাকা সফরের সময়ে জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক দ্রুততম সময়ে করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, এবারের বৈঠকে আয়োজক হচ্ছে বাংলাদেশ কারণ ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারিতে পঞ্চম জেসিসি বৈঠক দিল্লিতে হয়েছিল। বৈঠকের এজেন্ডা কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন,  ‘আমরা একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে আলোচনার বিষয়বস্তু ঠিক করবো।’
পুরনো সব বিষয়ের পাশাপাশি কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সহযোগিতা, বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সহযোগিতা নতুন বিষয় হিসাবে যোগ হতে পারে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতির কারণে বিদেশে বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর যে অনুষ্ঠানগুলো হবে সেগুলো যৌথভাবে করা যায় কিনা সেটি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
দুদেশের জন্য অস্বস্তিকর উপাদানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে অস্বস্তিকর উপাদান থাকে এবং এগুলো নিয়েও আলোচনা হবে। কিভাবে আমরা এগুলো দূর করতে পারি তা নিয়ে আলোচনা হবে।’