বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল ২০২০ পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর আগে বিলটির ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করা হয়।
গত বছর ১৯ ডিসেম্বর বিলটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। গত ১২ জুন শিক্ষামন্ত্রী বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে পরে তা সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল। প্রস্তাবিত বিলটি অন্যান্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুসরণ করেই প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিলটিতে ৫৪টি ধারা রয়েছে। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রবর্তন, সংজ্ঞা ছাড়াও আচার্য, উপাচার্যের দায়িত্ব কর্তব্য, ট্রেজারার, সিন্ডিকেট, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল এবং অর্থ কমিটি সম্পর্কিত বিধান আছে সে আইনে। এই আইনের আলোকে ১৪টি অনুচ্ছেদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির খসড়া আইনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব প্রদানসহ পঠন, পাঠন ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে চাঁদপুর জেলায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অগ্রগতিকল্পে এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ইনকিউবেটর- এর মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষ্যে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা অতি প্রয়োজনীয় ও যুক্তিযুক্ত।'