এ সময় ড. মোমেন উল্লেখ করেন, শেখ সাবাহ ছিলেন বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু। তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে এসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ওআইসি সম্মেলনে নিয়ে যান।
ড. মোমেন বলেন, ‘শেখ সাবাহ দূরদর্শী এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য একজন উদার নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুতে মুসলিমবিশ্ব নিবেদিতপ্রাণ একজন বিশ্বনেতাকে হারালো।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কুয়েতে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে এই আমিরের অবদান এ দেশের মানুষ চিরদিন স্মরণ রাখবে।’
ড. মোমেন বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে শেখ সাবাহ’র প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং সে দেশের ভাতৃপ্রতীম জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
শোক বইয়ে স্বাক্ষরকালে কুয়েতের রাষ্ট্রদূত আদেল মোহাম্মেদ এ. এইচ হায়াত উপস্থিত ছিলেন।