কমিটির সভাপতি চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য এ বি তাজুল ইসলাম, ইকবালুর রহিম, ফজলে হোসেন বাদশা , নূর মোহাম্মদ, মনজুর হোসেন এবং শওকত হাচানুর রহমান (রিমন) অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বিশেষ আমন্ত্রণে সংসদ-সদস্য ভবন ব্যবস্থাপনা কমিটির আহবায়ক মো: সাইফুজ্জামান, যুগ্ম আহবায়ক নাহিদ ইজাহার খান এবং যুগ্ম আহবায়ক নার্গিস রহমান অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে সংসদ সদস্য ভবন বরাদ্দের নীতিমালা তৈরির কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। এতে কোনও সংসদ সদস্য মারা গেলে তার পরিবার তিন মাস ওই ভবনে বসবাস করতে পারবেন এমন বিধান যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। বিদ্যমান ব্যবস্থায় কোনও এমপি মারা গেলে তার পরিবার একমাস সংসদ সদস্য ভবনে বসবাস করতে পারেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য হুইপ ইকবালুর রহিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সংসদ সদস্যদের অনুকূলে ফ্ল্যাট বরাদ্দের জন্য আমরা একটি নীতিমালা তৈরি করছি। আগামী বৈঠকে এটি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে কোনও সংসদ সদস্য মারা গেলে তার পরিবার তিনমাস সেখানে বসবাস করতে পারে এমন বিধানসহ কিছু বিধি যুক্ত করা হচ্ছে।
সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে সংসদ-সদস্য ভবনসমূহের ফ্ল্যাট বরাদ্দের বিদ্যমান শর্তাবলীর পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং সংসদ-সদস্য ভবনসমূহের ফ্ল্যাট বরাদ্দের নীতিমালা পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।
এদিকে বৈঠকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউস্থ ৪, ৫ ও ৬ নং সংসদ সদস্য ভবনের ফ্ল্যাটগুলোর তেলাপোকা-উইপোকা নির্মূলের ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া ভবনগুলোতে ১নং ভবনের মতো গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা ও পুরাতন মসজিদকে সংস্কারপূর্বক আধুনিক করার সুপারিশ করে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউস্থ সংসদ সদস্য ভবনের সামনে জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিটি কর্পোরেশন ও ওয়াসাকে বলা হয়। বৈঠকে সংসদ সদস্য ভবন, পুরাতন সংসদ সদস্য ভবন এবং মন্ত্রী হোস্টেলস্থ স্থায়ী কমিটির সভাপতিদের কার্যালয়কে সিসিটিভি’র আওতায় আনা এবং অগ্নি-নির্বাপণ যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউস্থ এবং নাখালপাড়াস্থ সংসদ সদস্য ভবনের সামনে সাইনবোর্ড/বিল বোর্ডসহ যাবতীয় ব্যানার অপসারণের সুপারিশ করা হয়।