পাঁচ বছরের মধ্যে ২ লাখ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চগতির ইন্টারনেট: পলক

ওয়েবিনারে জুনায়েদ আহমদ পলকসহ অন্যরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে দেশের ২ লাখ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আসবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘টেল মাই লিডার: গ্লোবাল চাইল্ড লিড ডিজিটাল হ্যাংআউট’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পলক বলেন, ‘বর্তমানে গ্রাম পর্যন্ত ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল কানেক্টিভিটি পৌঁছে গেছে। কোভিড সময়ে শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীই অনলাইনে শিক্ষা নিচ্ছে। বাকি ৩০ শতাংশকেও দূরশিক্ষণের আওতায় আনতে ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাপ্রোচে কাজ করছে সরকার। এজন্য জাতীয় সংসদ টেলিভিশন চ্যানেল এবং রেডিও এর পাশাপাশি ইন্টারনেট বা স্মার্টফোন না থকালেও তাদের জন্য ৩৩৩ টোল ফ্রি নম্বরে কল করে শিক্ষকের পরামর্শ নেওয়ার মতো উদ্ভাবনী সেবা চালু করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের আইটি বিষয়ে দক্ষ করতে সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ‘ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব’ স্থাপন করছে।”

প্রতিমন্ত্রী জানান, কোভিডের শুরুতেই আইসিটি বিভাগ মহামারিতেও কীভাবে জীবনকে সচল রাখা যায়, সেজন্য সবার অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। গৃহীত ৫টি উদ্যোগের মধ্যে সবার ওপরে ছিল শিক্ষা।

প্রতিভা তুলাধরের সঞ্চালনায় হ্যাংআউটে আরও বক্তব্য দেন উগান্ডার ফার্স্ট লেডি এবং শিক্ষা ও ক্রীড়া মন্ত্রী জ্যানেট কাতাহা মুসেভেনি, দক্ষিণ সুদানের জাতীয় সাধারণ শিক্ষা ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মার্টিন টাকো মই, কম্বোডিয়ার শিক্ষা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি জেনারেল চৌন রামি এবং নেপালের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব গোপী নাথ মৈনালি।

ছয়টি দেশের শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই হ্যাংআউটে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ঐক্য ও রাফসান নামের দুই শিশু।