মন্ত্রী বলেন, ‘আরেকটি বলেছি তারা এখানে আসুক এবং তাদের লোকদের (রোহিঙ্গা) সঙ্গে কথা বলুক বিশ্বাস বৃদ্ধির জন্য। একবার এসেছিল কিন্তু হ্যাঁ বা না কিছু বলেনি।’
ইন্দোনেশিয়ার দেওয়া আরেকটি প্রস্তাব সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘তাদের প্রস্তাব ছিল যে রোহিঙ্গাদের নেতারা দলবেঁধে মিয়ানমারে যাবে এবং দেখবে কি কি কাজ হয়েছে। তারা ফিরে এসে বলবে সেখানে কী অবস্থা রয়েছে।’ মিয়ানমার কোনোটাতেই হ্যাঁ বা না কিছু বলেনি। তারা খালি বলে যে তারা সরকারকে জানাবে।
বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, আশা করছি যে মিয়ানমারের নির্বাচনের পরে ত্রিপক্ষীয় কমিটির বৈঠক হবে। কোভিডের কারণে গত ২০ জানুয়ারির পরে আর কোনও বৈঠক হয়নি।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে আলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে তিনি বলেছিলেন যে উনার সঙ্গে মিয়ানমারের আলাপ হয়েছে এবং তারা ওনাকে বলেছেন যে প্রত্যাবাসন শুরু করবে।’