বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) অনলাইনে আয়োজিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি’র উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী “আসল চিনি” ক্যাম্পেইনের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘দেশে গত ১১ বছরের প্রযুক্তির যে উন্নয়ন হয়েছে তার সুফল পেতে এবং এর কুফল থেকে রক্ষা পেতে ২০১৮ সালে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন করা হয়েছে। সাইবার ক্রিমিনাল আইডেন্টিফাই করতে ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি ও কম্পিউটার ইন্সিডেন্স রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে।’
ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি’র মহাপরিচালক ও এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিজিটাল প্লাটফর্মে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, এলআইসিটি প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদ, বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট নাসিমা আক্তার নিশা, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা আরিফ হাসান অপু ও গুজবের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণকারী তসলিমা বেগম রেনুর মামা নাসির উদ্দিন টিটো।
পরে প্রতিমন্ত্রী সমাপনী অনুষ্ঠানে “আসল চিনি” ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। ক্যাম্পেইনে পোস্টার ডিজাইন, রচনা লিখন এবং ভিডিও নির্মাণ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আমরান আহমেদ। বিশেষ জুরি পুরস্কার পেয়েছেন জুনায়ানা রহমান মুনতাহা, যৌথভাবে প্রথম রানার আপ হয়েছেন শ্যামল সাহা এবং মো. মেজবা-উল হোসেন। রচনা লিখন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মো. সাজিদ ইকবাল, যৌথভাবে প্রথম রানার আপ হয়েছেন তানিয়া এবং শেখ আল-আমিন, যৌথভাবে দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন জিনিয়া আক্তার ঋতু এবং আকিলা ফারুক ওহী। ভিডিও নির্মাণ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রহিম সৈকত, রানার আপ হয়েছেন মো. রাকিবুল ইসলাম।