স্পিকার বলেন, ‘নোটিশগুলো বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্নের অধিকার বিষয়ক নয়। প্রথম ও দ্বিতীয় বিষয়টি সাম্প্রতিক নয়। তৃতীয়টিতে তারিখে গরমিল রয়েছে এবং সংসদের হস্তক্ষেপ করার মতো বিষয়ও নয়। নোটিশ গ্রহণ করা গেলো না বলে দুঃখিত।’
সংবিধানে সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার নিয়ে আইন করার নির্দেশনা থাকলেও এখন পর্যন্ত তা করা হয়নি।
স্পিকার নাকচ করলেও পরে একটি আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ার সময় নোটিশ উপস্থাপনকারী হারুন বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার আপনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা নিয়ে কিছু বলছি না। এখানে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন। তিনি আমাদের সবার নেতা। বিরোধী দলের সদস্যদেরও নেতা তিনি। আমি যে বিষয়গুলো এনেছি আপনি (স্পিকার) দয়া করে সেগুলো প্রধানমন্ত্রীকে দেবেন।’
একাদশ সংসদে হারুনই প্রথম এই নোটিশ আনলেন।
সংসদে এমন কোনও নোটিশ এলে যদি তা গ্রহণ করা হয় তখন স্পিকার তা বিশেষ অধিকার কমিটিতে পাঠাতে পারেন।
অবশ্য পরে আইন প্রণয়নের সময় ফ্লোর নিয়ে আলোচনায় হারুন তার বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্নের নোটিশের প্রসঙ্গ টেনে ওই নোটিশ সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানোর অনুরোধ করেন।