স্থায়ী প্রতিনিধির অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিশ্বায়নের চলমান ধারায় কোভিড-১৯ এর ভয়াবহ আঘাত এবং বৈশ্বিক চাকরির বাজারে এর সম্মিলিত নেতিবাচক প্রভাবের কথা তুলে ধরেন অনুষ্ঠানটির আলোচকরা।
রাবাব ফাতিমা বলেন, ‘উন্নততর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশেষ করে নাজুক পরিস্থিতিতে থাকা মানুষের জন্য সরকারি-বেসরকারি অর্থায়নের পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন।’ স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা শক্তিশালী কর্মসংস্থান নীতি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সমৃদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি; বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য, অর্ধাহার ও ক্ষুধা প্রতিরোধের জন্য উন্নত-সম্পদ এবং ব্যাপক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাসমূহ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশসমূহের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সক্ষমতা বিনির্মাণের জন্য গ্লোবাল ভেল্যু চেইন এর অনুন্মোচিত সম্ভাবনাসমূহকে উন্মোচন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। আর ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অর্থনীতির সুযোগকে ব্যবহার করেই এটি করা সম্ভব।’
এ প্রসঙ্গে তিনি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনসহ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুবিধা গ্রহণ এবং শিক্ষার প্রসার ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনার গুরুত্বকে তুলে ধরেন। কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষাপটে অভিবাসী শ্রমিকেরা যে অবর্ণনীয় দুরাবস্থার মধ্যে পড়েছে তার থেকে উত্তরণ ঘটাতে বৃহত্তর বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।
উদ্বোধনী পর্বে আরও বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত কাতারের স্থায়ী প্রতিনিধি ও কাতারে অনুষ্ঠিতব্য এলডিসি-৫ এর প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আলিয়া আহমেদ সাইফ আল-থানি, মালাওয়ি এর স্থায়ী প্রতিনিধি এবং এলডিসি গ্রুপের সভাপতি রাষ্ট্রদূত পার্কস্ লিগোইয়া, ইউএন-ওএইচআরএলএলএস এর উচ্চ প্রতিনিধি মিজ ফেকিতা মইলোয়া কাটোয়া উতোয়কামানু এবং আইএলও এর উপ-মহাপরিচালক মৌসা ঔমারো। তারা নাজুক পরিস্থিতিতে পতিত মানুষের জন্য উপযুক্ত কাজের সুযোগ সৃষ্টিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেন।
আগামী দিনগুলোতে সবার জন্য উন্নত ও উপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিতের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি টানেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।