এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেনেভায় কমার্শিয়াল কাউন্সিলর দেবব্রত চক্রবর্তী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আলোচনা এজেন্ডা আইটেমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং এটি নিয়ে আলোচনা হবে।’
স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পক্ষে চাদ এটি প্রস্তাব করেছে। ওই দেশগুলো এ বিষয়ে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেবে বলে তিনি জানান।
ডাব্লুটিও’র সদস্য দেশগুলো এই বিষয়ে তাদের মতামত জানাবে জানিয়ে দেবব্রত চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা আলাদা আলাদাভাবে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এর পক্ষে কথা বলছি। কেউ কেউ বলেছে, তারা এটি সমর্থন করবে। আবার কেউ বলেছে, তারা তাদের রাজধানীর সঙ্গে আলাপ করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে। এ বিষয়ে আগামী মিনিস্টিরিয়াল কনফারেন্সে সিদ্ধান্ত আনার জন্য জেনেভায় বাংলাদেশ মিশন সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।’
উল্লেখ্য, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর নির্বিঘ্ন ও টেকসই গ্র্যাজুয়েশনে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে ২০০৪ এবং ২০১২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দুটি রেজুলেশন গৃহীত হয়। ওই রেজুলেশনের ওপরে ভিত্তি করে এই প্রস্তাব আনা হয়েছে। অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের মতো বাংলাদেশও বিশেষ বাজারে প্রবেশাধিকার সুবিধা,কারিগরি সহায়তাসহ ডাব্লুটিওতে বিশেষ অব্যাহতির সুবিধা পেয়ে থাকে, যা সাধারণভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযোজ্য নয়। এই অবস্থায় এলডিসি তালিকা হতে অবমুক্তির পর, অর্থাৎ গ্র্যাজুয়েশনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর, আরও ১২ বছর পর্যন্ত এই সুবিধা কীভাবে অব্যাহত রাখা যায়, সে বিষয়েই এই প্রস্তাব, যা অন্যান্য সব স্বল্পোন্নত দেশ সমর্থন করেছে। যদি ডাব্লুটিও’র সব সদস্য এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তবে বাংলাদেশসহ সব স্বল্পোন্নত দেশ গ্র্যাজুয়েশন হওয়ার পরবর্তী ১২ বছর পর্যন্ত এলডিসি হিসেবে প্রাপ্য সব সুবিধা পেতে থাকবে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তা হবে বিশ্ববাণিজ্য অঙ্গনে সব এলডিসির জন্য এক অসাধারণ প্রাপ্তি।