কুরআনখানি শেষে আলোচনা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নূরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মাওলানা কাফিলুদ্দীন সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ।
দুপুর দেড়টায় দিকে বায়তুল মোকাররমে ‘৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদাৎবরণকারী শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। এছাড়া মোনাজাতে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শহীদ জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেও দোয়া করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।