এসিআই’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

সংসদীয় কমিটির বৈঠকএসিআই কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। করোনাকালে নিম্নমানের জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী এবং নিম্নমানের কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়কে এই সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এদিকে কমিটি আলু ও পেঁয়াজের ঘাটতির কারণ উদঘাটনেরও সুপারিশ করে।

কমিটি সভাপতি মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কৃষি মন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, মো. মোসলেম উদ্দিন, মো. মামুনুর রশীদ কিরন, আনোয়ারুল আবেদীন খান, উম্মে কুলসুম স্মৃতি এবং হোসনে আরা অংশগ্রহণ করেন।

জানা গেছে, কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরীর এসিআই কোম্পানির হারভেস্ট যন্ত্রের নিম্নমান নিয়ে কথা বলেন। তাদের মেশিনগুলো ১৫ দিন থেকে এক মাসের মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়, যার কারণে কৃষকদের ধান কাটা ও মাড়াইয়ে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। কমিটির অন্য সদস্যরাও একই অভিযোগ করার পাশাপাশি এসিআই কোম্পানির স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

এদিকে বৈঠকে জানানো হয়, দেশে উৎপাদনের বাইরেও প্রতি বছর প্রায় ৬/৭ লাখ টন পেঁয়াজের ঘাটতি থাকে, ভারত গত বছর পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। হঠাৎ করে তৈরি হওয়া এ ধরনের পেঁয়াজ সংকট কাটাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পদক্ষেপ গ্রহণ ও ভারতের ওপর শতভাগ নির্ভরতা কমানোর জন্য মন্ত্রণালয়কে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ ও পাটের বীজ রফতানির ওপর ভারতের নিষেধাজ্ঞার প্রভাব হ্রাস করতে গবেষণা ও বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনাকালে অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকার পরও আলু ও পেঁয়াজের ঘাটতি থাকার কারণ উদঘাটনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ,  আগামী বোরো মৌসুমের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং আউশ মৌসুমের উৎপাদন বাড়াতে উন্নত জাতের বীজ কৃষকদের কাছে পৌঁছানো ও আবাদী এলাকা যথাসম্ভব বাড়াতে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ রে সংসদীয় কমিটি।