বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সহকারী সচিব মো. জসিম উদ্দিনের স্বাক্ষরে প্রজ্ঞাপনটি জারি করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এতে বলা হয়, অর্থ বিভাগের ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখের এই সংক্রান্ত স্মারকের সম্মতির প্রেক্ষিতে জরিমানা ছাড়া মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সকল প্রকার মোটরযানের কাগজপত্র (ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার শর্ত সাপেক্ষে সুযোগ দেওয়া হলো। এই বিভাগের গত ২২ জুনের প্রজ্ঞাপনের ধারাবাহিকতায় এই সময়সীমা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিআরটিএ সড়ক পরিবহন মালিকদের উদ্দেশে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে আগামীতে খেলাপি মোটরযান মালিকদের আর কোনও সুযোগ দেওয়া হবে না মর্মে অগ্রিম ঘোষণা প্রচার করবে। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সময় বাড়ানোর জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু সচিব বরাবর আবেদন করা হয়। সমিতির আবেদনের প্রেক্ষিতে জরিমানা ছাড়া সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র হলনাগাদ করার জন্য আরও ৬ মাস সময় বাড়ালো সরকার।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘করোনা মহামারির কারণে অনেকেই তার যানবাহনের কাগজপত্র হালনাগাদ করতে পারেনি। এজন্য আমরা বিনা জরিমানায় এই কর পরিশোধের সময় বাড়ানোর জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার সময় বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।’