হাজী সেলিমের বিষয়ে রায় দেখে সিদ্ধান্ত নেবে সংসদ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিচারিক আদালতের ১৩ বছরের কারাদণ্ডাদেশের মেয়াদ কমিয়ে ঢাকা-৮ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ১০ বছরের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। সংসদ সদস্য থাকা অবস্থায় দণ্ডিত হওয়ায় হাজী সেলিম স্বপদে থাকতে পারবেন কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সাংবিধানিক প্রশ্ন।

জানা গেছে ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখার রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সংসদ।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, কোনও সদস্য দণ্ডিত হলে রায়ের কপি যেমন সংসদে আসতে হবে, তেমনি ওই সদস্য যদি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন সেটার নথিও আসতে হবে। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে যদি রায় স্থগিত হয় সেটাও জানাতে হবে।

নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকায় হাজি সেলিমের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে সংসদ সচিব জাফর আহমেদ খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সংসদের স্পিকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে তার আগে রায়ের কপিসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সংসদ কর্তৃপক্ষের কাছে আসতে হবে।

আরও পড়ুন:

হাজী সেলিমকে ৩০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনও আইনপ্রণেতা নৈতিক স্খলনজনিত কোনও ফৌজদারি অপরাধে দুই কিংবা ততোধিক বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবে না এবং মুক্তি পাওয়ার পর পাঁচ বছর পর্যন্ত তিনি আর সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য বিবেচিত হন না।

সম্প্রতি কুয়েতের আদালতে দণ্ডিত হওয়ায় লক্ষ্মীপুরের সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলের সদস্য পদ বাতিল করে সংসদ।