জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সপ্তম দিনের থিম ছিল ‘নারীমুক্তি,সাম্য ও স্বাধীনতা’। প্রথম পর্বে ছিল আলোচনা, আর দ্বিতীয় পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দ্বিতীয় পর্বের পুরোটা জুড়ে ছিলেন দুই প্রজন্মের নারী শিল্পীরা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিবেদিত গানে তাদের কণ্ঠে ছিল নারী মুক্তি,সাম্য আর স্বাধীনতার কথা।
মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে মুজিব চিরন্তন ‘নারীমুক্তি, সাম্য ও স্বাধীনতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব সঞ্চালনা করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। নারীর উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনা আজ বিশ্বে রোল মডেল বলে মন্তব্য করে স্পিকার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মনে করতেন নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়। তাই নারীর অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। তিনি সংবিধানে নারীর অধিকার সুরক্ষিত করেছেন। নারীর উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর চিন্তা চেতনা আজ বিশ্বে রোল মডেল।’
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর আয়োজনে যুক্ত হয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ার। জার্মানির প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা বার্তা ও যুক্তরাজ্যের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের শুভেচ্ছা বার্তা পড়ে শোনান পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ‘মুজিব চিরন্তন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সপ্তম দিন মঙ্গলবারের অনুষ্ঠান সাজানো হয় ‘নারীমুক্তি, সাম্য ও স্বাধীনতা’ থিম ধরে।
এছাড়া চন্দনা মজুমদার, সালমাও সংগীত পরিবেশন করেন। গানে অরকেস্ট্রা পরিচালনা করেন অতুলা বানিঙ্গা। এতে অংশ নেন বাংলাদেশ আনসারের নারী বাদক দল। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের গান ও কোরিওগ্রাফিতে অংশ নিয়ে সংগীত পরিবেশন করে ব্যাড এফ মাইনর।
এরপর থিয়টেরিক্যাল পারফর্মেন্সে অংশ নেন— অভিনেত্রী আফসানা মিমি ও ত্রপা মজুমদার। সবার শেষে একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রুনা লায়লা।