বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

আজকের প্রতিপাদ্য ‘শান্তি, মুক্তি ও মানবতার অগ্রদূত’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ‘মুজিব চিরন্তন’ শীর্ষক মূল প্রতিপাদ্যের ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার অষ্টম দিন বুধবারের (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ‘শান্তি, মুক্তি ও মানবতার অগ্রদূত’। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ভূটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এ অনুষ্ঠানে সীমিত আকারে ৫০০ জন আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে আলোচনা অনুষ্ঠান হবে বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এরপর সন্ধ্যা ৬টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ৩০ মিনিটের বিরতি থাকবে। দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানটি টেলিভিশন, বেতার, অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি। আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করবেন এ এইচ মাহমুদ আলী এমপি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. রওনক জাহান।

এছাড়া ভ্যাটিক্যান সিটি থেকে পাওয়া পোপ ফ্রান্সিসের ভিডিও বার্তা প্রচার করা হবে। আলোচনা পর্বে সম্মানিত অতিথি ভূটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং বক্তব্য প্রদান করবেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিবৃন্দকে ‘মুজিব চিরন্তন’ শ্রদ্ধা-স্মারক প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানের সভাপতি  প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আলোচনা পর্বের সমাপ্তি হবে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে বন্ধুরাষ্ট্র ভূটানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা, ‘মুজিব চিরন্তন’ প্রতিপাদ্যের ওপর টাইটেল অ্যানিমেশন ভিডিও, ‘ওই মহামানব আসে’ শীর্ষক রবীন্দ্র সংগীত, ‘অজর, অমর, অক্ষয়’ শীর্ষক নজরুল সংগীত, ‘লোকনায়ক’ শীর্ষক লোকসংগীত, স্পন্দন পরিবেশিত ‘মহাকালের গণনায়ক: তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান ‘শতবর্ষ পরেও’, কনসার্ট ফর বাংলাদেশ-১৯৭১ এর ১ আগস্টের অনুষ্ঠানের চুম্বক অংশ, ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক দেশি শিল্পীদের পরিবেশনা এবং সব শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে ‘জর্জ হ্যারিসনের বাংলাদেশ’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হবে।