‘হাসপাতালে বেড আরও বাড়ানো হচ্ছে’

হাসপাতালে যত বেড আছে, সব দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা চাইলেই রাতারাতি আইসিইউয়ের জনবল বাড়াতে পারবো না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (২৯ মার্চ) হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের  সম্প্রসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী  জুমে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন,‘বর্তমান সময়ে রোগীরা হঠাৎ করেই খারাপ হয়ে যাচ্ছে।’ সংক্রমণের হার এভাবে বাড়তে থাকলে সেটা কাভার করা যাবে কিনা প্রশ্নে এর আগে তিনি বলেন, ‘এক্সিসটিং ক্যাপাসিটিতে সামাল দেওয়া কঠিন। দেশে এখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য কতগুলো বেড রয়েছে সেটা সবাই জানেন, গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।’

একটি হাসপাতালে বেডের সংখ্যা ৫০০ এর জায়গায় না হয় ৫০টি বাড়ানো যাবে, কিন্তু বেড বাড়ালেই তো আর সবকিছু বেড়ে গেলো না। এরপরও গত দুই থেকে তিন আগে আমি নির্দেশ দিয়েছি, করোনার চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত  প্রতিটি বড় হাসপাতালে ১০০ করে বেড বাড়ানোর জন্য। কয়েকটি হাসপাতালে ১০ থেকে ২০টি বেড করে আইসিইউ বাড়ানোর জন্য বলেছি,সেটার কাজ চলছে। নর্থ সিটি করপোরেশনের আইসোলেশন সেন্টারকে যত দ্রুত সম্ভব চালু করার জন্য নির্দেশণা দেওয়া হয়েছে। এখানে ৫০টি বেড আইসিইউ আর ২০০ বেড এইচডিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সবকিছু রাখা হচ্ছে। এছাড়াও সেখানে আইসোলেশন বেড রাখা হবে। সব মিলিয়ে সেখানে প্রায় এক হাজার ২০০ এর মতো  বেড থাকবে।এটা চালু হলে বড় একটি কাজ হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মহানগর হাসপাতাল, মিরপুরের লালকুঠি হাসপাতালে প্রায় ১০০টি বেড করে বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছি। পাশাপাশি কিছু হাসপাতালে আইসিইউ বেড বাড়ানো হচ্ছে।  কিন্তু আমাদের জনবল তো লাগবে। আইসিইউ ম্যানেজ করা, সেখানে খুব টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ডাক্তার লাগে, সেটাতো রাতারাতি তৈরি হয় না।’