২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের শুরুতেই ১৯৭১ থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয় অডিও ভিজুয়ালে। কীভাবে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আজ বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠলো সেই বিষয়টি তুলে ধরা হয় দক্ষতার সঙ্গে। উপস্থাপনার শুরুতেই বলা হয়, শূন্য ক্যানভাসে কী নিঁখুত শিল্পীর মতো পুনর্গঠনের ছবি আঁকা শুরু করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পরিকল্পনা কমিশন, কৃষি গবেষণা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, পরমাণু শক্তি কমিশন, বিসিএসআইসহ সব অপরিহার্য প্রতিষ্ঠান হয় বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান নির্মাণ করে গেছেন, বা প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠার শুরুটা করে দিয়ে গেছেন। সোনার বাংলা গঠনের মজবুত ভিত তার হাতেই।
৭৪-৭৫ সালে পাঁচ দশমিক পাঁচ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৯-এর ওপরে জিডিপি অর্জিতের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, যদি একদল বিপথগামীর কারণে এই দেশ বঙ্গবন্ধুকে না হারাতো তাহলে প্রবৃদ্ধি একই হারে থাকতো এবং আজ সুবর্ণজয়ন্তীতে ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে থাকতো বাংলাদেশ।
একসময়ের বিশ্বের দরিদ্রতম ১০টি দেশের অন্যতম বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিক অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর)-এর মতে, অর্থনৈতিক বিকাশ অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতি আজ বিশ্ববাসীকে বিস্মিত করেছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে এক বিস্ময়ের বিস্ময়। স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করত: ১৭ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১-এ আয়োজিত মুজিব জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর জাতীয় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন বিশ্বনেতারা।