ফাইজারের টিকার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন বিদেশগামী কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও পাওয়া যায়নি ফাইজারের টিকা। শেষে কর্তৃপক্ষ তাদের মডার্নার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তাতেও বিপত্তি জানান কর্মীরা। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে তারা মডার্নার টিকা নিতে রাজি হন। বুধবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাদের প্রায় সবাই এসএমএস পাওয়ার পর টিকা নিতে এসেছিলেন।
বিদেশগামী কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে টিকা নিতে এসেছেন তারা। কেউ মাইক্রোবাস ভাড়া করে আবার কেউ কেউ লকডাউনের মধ্যে ভেঙে ভেঙে এসেছেন রাজধানীতে। এরা সবাই মূলত সৌদি আরব এবং কুয়েতগামী কর্মী। কেউ ভোর ৫টা থেকে আবার কেউ কেউ তার আগে থেকে লাইন ধরেছেন টিকা নিতে।
ওপর এক সৌদিগামী কর্মী সুমন মডার্নার টিকা নেওয়ার পর জানান, আমাদের কথা ছিল ফাইজারের টিকা দেওয়ার। সৌদি থেকে আমার ভাই বলে দিছে ফাইজার নিতে। এখানে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। মেসেজ পেয়ে ঢাকায় আসছি। ফাইজারের টিকা শেষ জানলাম কিছুক্ষণ আগে। টিকা শেষ শুনে অনেকেই বিক্ষোভ করছিল। পরে কর্তৃপক্ষ এসে বলছে মডার্না নেওয়া যাবে। তাই এখন নিলাম।
এ সময় প্রবাসী কর্মীরা টিকা প্রদান কার্যক্রম নিয়ে নানা অভিযোগ তোলেন। এমনকি সেখানে দায়িত্বরত কিছু আনসার সদস্য টাকা দাবি করেন বলেও জানান তারা। টাকার বিনিময়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা নেওয়ার ব্যবস্থা করার প্রলোভন দেখানো হয়। তবে অন্য আনসার সদস্যরা টাকা পয়সা লেনদেন করতে মানা করায় সে পথে পা বাড়াননি তারা।
আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন কিছু ঘটলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেবো।’