‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতিকে এগিয়ে নিতে হবে’

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ জাতীয় জীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতিকে এগিয়ে নিতে হবে। তবেই জাতির পিতার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।’

রবিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের প্রশাসক ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক জহুরুল ইসলাম রোহেলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদসহ ঢাকা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ঢাকা জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীরা মহান বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে।’ তিনি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  অর্থনৈতিক কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন সবদিকেই দক্ষ একজন রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামল এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’ তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু পৃথিবীতে একমাত্র নেতা যিনি তাঁর  জীবদ্দশায় একাধারে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং স্বাধীনতা অর্জন করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আজও  হয়তো আমরা পরাধীন থাকতাম।’

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট দুটি ঘটনাই একসূত্রে গাঁথা, এটি নিছক কোনও হত্যাকাণ্ড নয়। এর পেছনে ছিল গভীর ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রের পেছনে বিএনপি-জামায়াত ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্র সরাসরি জড়িত। তাই এসব ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করা সময়ের দাবি।’ এ জন্য শিগগিরই একটি নিরপেক্ষ জাতীয় কমিশন গঠন করে বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনের কুশীলবদের চিহ্নিত করে জাতির সামনে তা উপস্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।