ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য জনসম্মুখে উপস্থাপন হলে তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।
বৃহস্পতিবার ( ২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত মমতা হেনা লাভলীর প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন ।
মমতা হেনা লাভলী তার প্রশ্নে দেশের যে সকল ধর্মীয় বক্তা নিজ স্বার্থে ধর্মের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য জনসম্মুখে উপস্থাপন করলে তাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান।
জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, ধর্ম ও ধর্মীয় মূল্যবোধের যথাযথ পরিপালন নিশ্চিতকরণে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত নাগরিকদের মাঝে ইসলামের আলোকে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রভৃতি পেশাজীবী শ্রেণিকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সময় সভা-সেমিনার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়াও জুমার প্রাক খুতবায় উক্ত বিষয়ে আলোচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকল খতিবকে অনুরোধ করা হয়।
তিনি বলেন, ধর্মের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য জনসম্মুখে উপস্থাপন করা হলে স্থানীয় প্রশাসন/ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রমাণ সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। এ ছাড়াও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে যদি মিথ্যা ও বানোয়াট তথা জনসম্মুখে উপস্থাপন করা হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন/আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।