ইউপি নির্বাচনের আচরণবিধি চূড়ান্ত: বরাদ্দের আগে প্রতীকসহ প্রচারণা নয়

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীরা নির্বাচনের ২১ দিন আগে থেকে প্রচারণা চালাতে পারবেন, তবে প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালাতে পারবেন না এমন বিধান রেখে ইউপি আচরণবিধি চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন বৈঠকে এ আচরণবিধি চূড়ান্ত হয়।

নির্বাচন কমিশন
এই আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সুবিধাভোগীরা পৌর নির্বাচনের মতোই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও প্রচারণা চালাতে পারবেন না। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের ইউপি নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কোনও সুযোগ রাখা হয়নি এ আচরণবিধিতে। তবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়ররা নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে পারবেন।
পরে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আজকের বৈঠক সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
তিনি বলেন, ‘আজকের বৈঠকে আমরা ইউপি নির্বাচনের আচরণবিধি তৈরি করেছি। দু’এক দিনের মধ্যে এই আচরণবিধি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।’ তিনি জানান, নির্বাচনের ২১ দিন আগে থেকে প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন। তবে প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রতীকসহ প্রচারণা চালানো যাবে না।

তিনি জানান, পৌর নির্বাচনের মতোই ইউপি নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় সুবিধাভোগীরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। তবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়ররা এই প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ওই সময়ে তারা রাষ্ট্রীয় কোনও সুবিধা নিতে পারবেন না।

পৌর নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রচুর ঘটনা ঘটেছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও এ ধরনের ঘটনা ঘটলে কমিশন কেমন ভূমিকা নেবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কমিশন শক্ত ও সতর্ক রয়েছে। পৌর নির্বাচনেও এধরনের ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামনের ইউপি নির্বাচনেও আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

উল্লেখ্য, এর আগে ইউপি নির্বাচন পরিচালনাবিধি চূড়ান্ত করে সোমবার তা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

/টিএন/