এদিকে, দুদক সূত্র জানিয়েছে, ঢাকায় যাদের বাড়িঘর আছে, তাদের কোনও না কোনও দিন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (রাজউক) যেতে হয়। কিন্তু এই যাওয়াটা অনেকের জন্য সুখকর হয় না। বাড়ির নকশার অনুমোদন, ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র গ্রহণ, রাজউক থেকে পাওয়া প্লটের দখল বুঝে নেওয়া, নামজারি, আমমোক্তারনামার অনুমোদনের কাজ করাতে গিয়ে দুর্নীতিবাজদের খপ্পরে পড়ে নাস্তানাবুদ হতে হয় তাদের। যুগের পর যুগ এভাবেই চলছে রাজউক। জনগণের এ হয়রানি কিছুতেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। সম্প্রতি এই হয়রানি আরও বেড়েছে।
সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ের সামনে প্রচারাভিযানকালে মো. নাসিরউদ্দীন আহমেদ বলেন, রাজউক সংক্রান্ত অভিযোগ সমাধানের মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা যেন উন্নত সেবা পান, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগামী ২৭ জানুয়ারি গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে। এরপর এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চালানো হবে। তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদক দেশব্যাপী গণশুনানির কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নাগরিক সনদ অনুযায়ী জনগণ সেবা পাচ্ছেন কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জনগণকে সচেতন করার মাধ্যমে দেশব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
/এমএনএইচ/