উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে বিভিন্ন কারখানার পরিদর্শনের পর এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, গার্মেন্ট খাতকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। এ কারণে গত দুই বছরে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিদর্শকরা নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন করছেন। তাই আগামী দিনে রানা প্লাজার মতো কোনও দুর্ঘটনা ঘটবে না বলে আশা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসে সেখানকার পাঁচটি পোশাক কারখানার সহস্রাধিক শ্রমিক নিহত হওয়ার পর বিদেশি ক্রেতাদের পক্ষ থেকে যৌথ পরিদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তখন কারখানাগুলোয় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গঠিত হয় ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট ‘অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের জোট ‘বাংলাদেশ সেফটি অ্যালায়েন্স’। জোট দু’টি অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স নামে পরিচিত।
প্রতিমন্ত্রী জানান, জোটের পক্ষ থেকে দেশের দুই হাজার কারাখানা পরিদর্শন করা হয়। আরও বেশ কিছু কারখানা সরকারের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক সৈয়দ আহম্মদ জানান, ২০১৪ সালে বিভিন্ন ধরনের ২৪ হাজার ১৯৭টি কারখানা পরিদর্শন করা হয়েছে। এই সময়ে শ্রম আইন লঙ্ঘনের ৪৪ হাজার ৩৪৭টি ঘটনা পাওয়া গেছে। ২০১৪ সালে পোশাক কারাখানায় ১৫১টি দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ১১ হাজার ১৮১ জন আহত হয়েছে। ২০১৪ সালে সব ধরনের কারখানায় এক হাজার ২৬৯টি দুর্ঘটনায় ৮৮ জন মারা গেছেন, আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৩৩৭ জন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শ্রম সচিব মিকাইল শিপার, আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস বি রেড্ডি, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পলিসি অ্যাডভাইজার মহুয়া করিম, ইকোনমি অ্যাফেয়ার্সের ফাস্ট সেক্রেটারি ডি. ভ্রেইস প্রমুখ।
/ওএফ/এমএনএইচ/