‘স্বামী-স্ত্রী পারলেও প্রতিবেশীর সঙ্গে সেপারেশন হয় না’

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘স্বামী ইচ্ছা করলে স্ত্রীকে বা স্ত্রীর ইচ্ছে করলে স্বামীকে তালাক দিতে পারে এবং বিচ্ছিন্ন হতে পারে, কিন্তু প্রতিবেশীর সঙ্গে কখনও সেপারেশন সম্ভব নয়। আমি নানা সময়ে এই উদাহরণটি দিয়ে থাকি।’

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) সিরডাপ মিলনায়তনে ‘মৈত্রীর বন্ধনে সুবর্ণ সম্প্রীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ আয়োজিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর উপলক্ষে এ সভায় মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্ব এবং তার ধারাবাহিকতার বিষয়ে আলাপকালে বলেন, ‘ভারত আমাদের এমন প্রতিবেশী, যেখানে আমাদের একদিকে বঙ্গোপসাগর আর তিন দিকে ভারত।’

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের সঠিক ইতিহাস, যা সত্য তা উপলব্ধি করতে হবে। কে বন্ধু কে শত্রু তা যথাযথভাবে অনুধাবন করতে হবে। আমরা যদি কৃতজ্ঞ হই, তাহলে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী থাকা উচিত। সেটি যেমন প্রতিবেশী হিসেবে, তেমনই একাত্তরে ভারত যে ভূমিকা পালন করেছে তার জন্যও। আমাদের দু’দেশের মধ্যকার বন্ধন লৌকিক বা মৌখিক নয়; আন্তরিক ও বাস্তবসম্মত। যারা স্বাধীনতা মানেনি, এখনও যাদের চিন্তাচেতনায় সেই ধারবাহিকতায় দেশবিরোধিতা রয়ে গেছে, তারা নানা মিথ্যাচার করে অপপ্রচার করে বন্ধুত্বে ফাটল ধরাতে চায়। তাদের প্রতি সতর্ক থাকার জন্য “সম্প্রীতি বাংলাদেশ” গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীসহ অনেকে।