সভায় অধ্যক্ষ আবদুল আহাদ চৌধুরী বলেন, যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা আন্দোলন শুরু করেছিলাম তা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। স্বাধীনতা যুদ্ধের ৪৪বছর পরও দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হয়নি।
‘মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার আইন’ প্রণয়নের দাবি জানিয়ে শাহরিয়ার কবির বলেন, খালেদা জিয়া একজন পাকিস্তানি। তাই তিনি এবং তার দলের নেতা গয়েশ্বর মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। এটি রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার মাধ্যমে খালেদা জিয়ার বিচার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের মধ্যে নানা সমস্যা রয়েছে। প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনও জামায়ত ঘাপটি মেরে রয়েছে। প্রক্ষমতাসীন দলের অনেক নেতা জামায়াতকে ফুলের মালা দিয়ে দলে টেনে নিচ্ছেন। এসব বন্ধ না হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, গোলাম আযমকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তার ফাঁসির দাবিতে যে আন্দোলন আমরা শুরু করেছিলাম, তাতে ভাটা পড়েছিল। আমাদের নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করতে হবে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে। ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করার জন্য।
নাজমুল হক প্রধান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হয়ে আমরা বাংলাদেশটাকে গোলাপ ফুলের বাগান বানাতে চাই। কিন্ত ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এই গোলাপ ফুলটি ধুতরার ফুলে পরিণত হয়। ঘাতক নির্মূল করে এগিয়ে যেতে পারলে বাংলায় গোলাপ ফুলের বাগান বানানো সম্ভব।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল আহাদ চৌধুরীরর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন হাবিবুর রহমান খান, সাবেক সংসদ সদস্য রওশন জাহান সাথী, গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের আহ্বায়ক কামাল পাশা চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর ব্যাপারী, সাংবাদিক তৌহিদ রেজা নুর প্রমুখ।
/এসআর/এমএনএইচ/