সামরিক সরকারের জারি করা দুটি অধ্যাদেশ বাতিলে সংসদে বিল

জাতীয় সংসদ ভবনসামরিক শাসন আমলে জারি করা দুটি অধ্যাদেশের বিধানগুলোর কার্যকারিতা রাখতে সংসদে দুটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। বিল দুটি হচ্ছে ‘প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (কতিপয় আইন সংশোধন) বিল-২০১৬’ এবং ‘প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (সর্বাধিনায়কতা) বিল-২০১৬’। সংসদ কাজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পক্ষে মঙ্গলবার সংসদে এ বিল দুটি উত্থাপন করেন।
পরে বিল দুটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (কতিপয় আইন সংশোধন) বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন-২০১১ দ্বারা ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট হতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা অধ্যাদেশগুলোর অনুমোদন ও সমর্থন সংক্রান্ত বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিলেল ১৮ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হওয়ায় ওই অধ্যাদেশগুলোর কার্যকারিতা লোপ পেয়েছে। ওই অধ্যাদেশটি দ্বারা বিদ্যমান নেভী (এক্সটেনশন অব সার্ভিস) অ্যাক্ট-১৯৫০, আর্মি অ্যান্ড এয়ারফোর্স রিজার্ভস অ্যাক্ট-১৯৫০, আর্মি অ্যাক্ট-১৯৫২, এয়ার ফোর্স (এক্সটেনশন অব সার্ভিস) অ্যাক্ট ১৯৫২, এয়ারফোর্স অ্যাক্ট-১৯৫৩, নেভি অর্ডিন্যান্স-১৯৬১-এর সময় কিছু সংশোধন করা হয়েছিল। অধ্যাদেশটির অধীন কার্যকারিতা জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে নতুন আইন করা প্রয়োজন।

প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (সর্বাধিনায়কতা) বিল-২০১৬ বিলের বিলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগগুলোর সর্বাধিনায়ক হবেন এবং সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদের অধীন তার ওপর ন্যাস্ত প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগগুলোর সর্বাধিনায়কতা প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগুলোর প্রধানদের মাধ্যমে প্রয়োগ করবেন।

/ইএইচএস/এমএনএইচ/