পরে বিল দুটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (কতিপয় আইন সংশোধন) বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন-২০১১ দ্বারা ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট হতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা অধ্যাদেশগুলোর অনুমোদন ও সমর্থন সংক্রান্ত বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিলেল ১৮ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হওয়ায় ওই অধ্যাদেশগুলোর কার্যকারিতা লোপ পেয়েছে। ওই অধ্যাদেশটি দ্বারা বিদ্যমান নেভী (এক্সটেনশন অব সার্ভিস) অ্যাক্ট-১৯৫০, আর্মি অ্যান্ড এয়ারফোর্স রিজার্ভস অ্যাক্ট-১৯৫০, আর্মি অ্যাক্ট-১৯৫২, এয়ার ফোর্স (এক্সটেনশন অব সার্ভিস) অ্যাক্ট ১৯৫২, এয়ারফোর্স অ্যাক্ট-১৯৫৩, নেভি অর্ডিন্যান্স-১৯৬১-এর সময় কিছু সংশোধন করা হয়েছিল। অধ্যাদেশটির অধীন কার্যকারিতা জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে নতুন আইন করা প্রয়োজন।
প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (সর্বাধিনায়কতা) বিল-২০১৬ বিলের বিলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগগুলোর সর্বাধিনায়ক হবেন এবং সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদের অধীন তার ওপর ন্যাস্ত প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগগুলোর সর্বাধিনায়কতা প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগুলোর প্রধানদের মাধ্যমে প্রয়োগ করবেন।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/