এ বিষয়ে সংসদে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের বিবৃতি দাবি করে তিনি বলেন, যারা এর সঙ্গে জড়িত তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, বছরের প্রথম দিনে হাতে বই পেয়ে শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ সবাই খুবই খুশি। একদিনে কোটি কোটি বই বিতরণে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়। কিন্তু আমরা প্রায়শই দেখছি যাদেরকে বই ছাপাতে দেওয়া হয় তাদের মধ্যে একটা কারসাজি রয়েছে। তারা নিম্নমানের বই ছাপিয়েছে। এরপর দেখা যায় বই দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মলাটটা খুলে গেছে।
তিনি বলেন, বইগুলোতে অসংখ্য ভুলে ভরা। পঞ্চম শ্রেণির বই দেখলে দেখা যাবে বঙ্গবন্ধু কবে দেশে ফিরেছেন সেখানে সালটা দিলেন একটা আর তারিখটা দিলেন আরেকটা। সপ্তম শ্রেণির একটি কবিতায় দুটি চরণ লেখাই হয়নি। কবি জসিম উদ্দিন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ বিভিন্ন কবির কবিতায় এরকম ভুল হয়েছে। এটা দেখলেন কারা? বইয়ের ছাপা অস্পষ্ট, ছবিগুলো বুঝা যায় না। এটা কী করে হলো? কেউ কি দেখেন না! সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উদ্দেশ করে স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বা এর সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত আছেন তাদের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। পাঠপুস্তক ছাপানোর মতো জাতীয় দায়িত্ব যারা পালন করেছেন তাদের এটা দেখে বাজারে ছাড়া উচিত ছিল। এটাতে অবশ্যই আমাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, কারা বার বার এ ধরনের নিম্ম মানের বই ছাপিয়ে সরকারের টাকা অপচয় করছে তা একটি কমিটি করে তদন্ত করে দেখা উচিত। যারা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
/ইএইচএস/এএইচ/