রেলওয়ের কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ধর্মঘটের কারণে সকাল থেকে যেসব ট্রেন ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল সেগুলো ছেড়ে যায়নি। গতরাত থেকেই চালকসহ রানিং স্টাফরা সংশ্লিষ্ট কাজে বিরতি দিয়েছেন। রাত ৩টা ২০ মিনিট থেকে রেলের চালকসহ রানিং স্টাফরা ইঞ্জিন পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহযোগিতা বন্ধ করে দেন।
কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সরকার বলেন, ‘তারা রাত ৩টা ২০ মিনিটের পর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। কোনও ট্রেন ছাড়ছেও না আসছেও না।’
এর আগে মাইলেজ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কর্মসূচিতে যায় রেলওয়ে রানিং স্টাফ কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। পরে ৩০ জানুয়ারি রেলভবনে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে কর্মসূচি স্থগিত করে তারা। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেওয়া আশ্বাসগুলোর মধ্যে ছিল, পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা আগের মতো বহাল রাখতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেবে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ে। এছাড়া গত বছরের ৩ নভেম্বরের আগে যেসব রানিং স্টাফ অবসরে গেছেন, তাদের আগের নিয়ম অনুযায়ী পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বেসামরিক পেনশন ও আনুতোষিক হিসাবের ক্ষেত্রে মূল বেতনের সঙ্গে কোনও ভাতা যোগ করে হিসাব করার সুযোগ নেই। তাই রেলওয়ের রানিং স্টাফদের মূল বেতনের সঙ্গে চলমান ভাতা যোগ করে পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা প্রদানের প্রস্তাবে নির্দেশক্রমে পুনরায় অর্থ বিভাগের অসম্মতি জ্ঞাপন করা হলো।