ভোক্তাকে স্বস্তি দিতে প্রয়োজন হলে শুল্ক কমিয়ে চাল আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, বোরোর ভরা মৌসুমে চালের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষাপটে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না।
সোমবার (৩০ মে) সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ‘বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ ও বাজার মনিটরিং সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায়’ এসব কথা বলেন তিনি।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন, খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের জেলা প্রশাসক, কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক খাদ্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মিল মালিকরা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা না হলে এদেশে খাদ্য সংকট হবে না। অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যা করণীয় তার সবই করা হবে। ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা না করে ভোক্তাদের প্রতি মানবিক হওয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন করপোরেট হাউজ বাজার থেকে ধান-চাল কিনছে। তারা কৃত্রিম কোনও সংকট তৈরি করছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। ভোক্তা যেন আতঙ্কিত না হয় সেজন্য সচেতনতা তৈরি করার পাশাপাশি ধান-চালের বাজারে নজরদারি বাড়াতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন তিনি।
মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কোয়ালিটির মানদণ্ডে উত্তীর্ণ না হলে সেই চাল গুদামে পাঠাবেন না। চালের কোয়ালিটির সঙ্গে কোনও ছাড় নেই।