অতিরিক্ত জরিমানা দিয়ে কালো টাকা বৈধ করার বিদ্যমান যে সুযোগ দেওয়া আছে, তা আর রাখছে না সরকার। এর পরিবর্তে বিদেশে পাচার করা অর্থ নির্ধারিত কর দিয়ে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যা ১৯-এর (এফ) ধারা হিসেবে যুক্ত করা হয়।
স্বাধীনতা-পরবর্তী সব সরকারই টাকা বৈধ করার সুযোগ দিয়ে এসেছে। চলতি অর্থবছরেও শর্তসাপেক্ষে এই সুযোগ দেয় সরকার। অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকাকে অর্থনীতির মূল ধারায় আনতে ও দেশে বিনিয়োগ চাঙা করতে চলতি অর্থবছরে শেয়ার বাজার, সঞ্চয়পত্র, জমি ও অ্যাপার্টমেন্ট কিনতে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়।
আগের অর্থবছরে ওই সব খাতে শুধু ১০ শতাংশ কর দিয়ে ঢালাওভাবে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
অবশ্য চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে মাত্র ২ হাজার ৩১৩ জন ঘোষণা দিয়ে টাকা সাদা করার সুযোগ নেন। এর বিপরীতে সরকার কর পেয়েছে মাত্র ৯৫ কোটি টাকা।
যদিও আগের অর্থবছরে ১২ হাজারের বেশি মানুষ এই সুযোগ নিয়েছিল। বিপরীতে সরকার প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা কর পায়।