ইভিএমের কারিগরি দিক যাচাইয়ে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধি ও কারিগরি টিমকে ডাকছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। রাজনৈতিক দলকে তিনটি পৃথক গুচ্ছে বিভক্ত করে তাদের ইভিএমের কারিগরি দিক যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (পরিচালক জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, আগামী ১৯, ২১ ও ২৮ জুন দেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইভিএমের কারিগরি ও পরিচালনা বিষয়ক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। প্রতিদিন ১৩টি করে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রত্যেক দলের সাত জন করে প্রতিনিধি এতে অংশ নিতে পারবেন।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে যন্ত্রটি প্রদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কারিগরি বিষয়ে প্রশ্নোত্তর, মতবিনিময়ের জন্য এ ব্যবস্থা নিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন। এর অংশ হিসেবে প্রথমে ইভিএম বিষয়ক প্রযুক্তিবিদদের আমন্ত্রণ জানিয়ে এই প্রদর্শনী আয়োজনের পাশাপাশি তাদের মতামত নিয়েছে ইসি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৯ জুন যে ১৩টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তারা হলো—জাতীয় পার্টি (এ); জাতীয় পার্টি-জেপি; কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ; বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি; বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি; জাকের পার্টি; বাংলাদেশ মুসলিম লীগ; গণফোরাম; গণফ্রন্ট; বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি; বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট; বিএনএফ; জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম ও বাংলাদেশ কংগ্রেস।
২১ জুন আমন্ত্রিত দলগুলো হলো—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি; জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি; বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন; ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি); জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ; ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ; বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি; ইসলামী ঐক্যজোট; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ; বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট; খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল।
২৮ জুন আমন্ত্রণ জানানো দলগুলো হলো—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ; বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন; বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল); বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি; লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি; গণতন্ত্রী পার্টি; বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি; বিকল্প ধারা বাংলাদেশ; জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ; বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ; বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ; বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট)।