বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রের সামনের সড়কে পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কিত উপকমিটির সদস্য ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদসহ বিআরটিএ’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে কয়েকটি অটোরিকশা, বাস ও প্রাইভেটকারের কাগজপত্র পরীক্ষা এবং বাসে ভাড়ার চার্ট ও অটোরিকশা মিটারে চলে কিনা যাচাই করেন মন্ত্রী। এসময় ভাড়ার চার্ট না থাকায় মিরপুর রুটে চলাচলকারী এক বাসকে (ঢাকা মেট্রো ব-১১-৪৮৫৫) জরিমানা ও মামলা করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, কে কতটি গাড়ি ব্যবহার করবে তা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু একসঙ্গে কতটি গাড়ি রাস্তায় নামবে তা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ওই আইনে চালকদের পাশাপাশি মালিকদের জন্যও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, অটোরিকশার মিটারে চলাচল বাধ্যতামূলক করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি ফুটপাত দখলমুক্ত করা গেলে ঢাকা মহানগরীর যানজট অনেকটা কমানো সম্ভব। ফুটপাতগুলো পথচারীদের ফিরিয়ে দিতে সিটি করপোরেশন ব্যবস্থা নিলে আমরাও সহায়তা করবো। কেননা ফুটপাত পথচারীদের জন্য ছেড়ে দিতে হবে। শিগগিরই ফুটপাত পরিষ্কার অভিযান চালাবে বিআরটিএ।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জানুয়ারি মাসে বিআরটিএ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে এক হাজার ২০৫টি মামলা করেছে। ২৮৮টি যানবাহন ডাম্পিং করা ছাড়াও ৯০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
/ওএফ / এএইচ /
/আপ-এএ/