এর আগে গত বৃহস্পতিবার কাদের সিদ্দিকীর করা রিট খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাই কোর্ট বেঞ্চ। ফলে কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র ‘বৈধ নয়’ বলে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
গত ৩১ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে ড. মোহাম্মদ ইয়াসিন খান ও কাদের সিদ্দিকীর পক্ষে ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী শুনানি করেন। পরবর্তী সময়ে হাই কোর্ট কাদের সিদ্দিকীর রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন।
টাঙ্গাইল-৪ আসনে দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন কাদের সিদ্দিকীর বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকী। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর তিনি পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে ৩ সেপ্টেম্বর গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়। এরপর গত বছরের ১০ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৪ আসনে উপ-নির্বাচনের দিন ধার্য করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু ঋণ খেলাপের অভিযোগে গত বছরের ১৩ অক্টোবর রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। এরপর ১৬ অক্টোবর এ দুই নেতা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল আবেদন করেন।
১৮ অক্টোবর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন কাদের সিদ্দিকীর আপিল খারিজ করে তার মনোনয়নপত্র বাতিলের চূড়ান্ত রায় দেন। এরপর নির্বাচন কমিশনের বাতিল আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট করেন কাদের সিদ্দিকী।
/ইউআই/এজে/