কল্যাণপুরে রিকশাচালক গুলিবিদ্ধের ঘটনায় কনস্টেবল সাসপেন্ড

পুলিশরাজধানীর কল্যাণপুর পোড়াবস্তির বাসিন্দা রিকশাচালক সাজুর গুলিবিদ্ধের ঘটনায় কনস্টেবল রেজদি মিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রবিবার রাতে রেজদি মিয়ার গুলিতে আহত হন রিকশাচালক সাজু (৩০)। তার বাম পায়ের বুড়ো আঙুলে গুলি লাগে।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার রাত ১১টার দিকে সাজুসহ চার-পাঁচ জন যুবক বস্তির আট নম্বর অংশের একটি গলিতে বসে গল্প করছিলেন। এ সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য এসে তাদের ধরে বস্তির চার নম্বর অংশে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের একটি কার্যালয়ে ঢোকায়। সেখানে পুলিশ সাজুকে বুট দিয়ে লাথি মারে ও রাইফেলের বাঁট দিয়ে আঘাত করে।
আহত সাজু জানান, স্থানীয় বদির দোকানের সামনে বসে তারা কয়েকজন আগুন পোহাচ্ছিলেন। তিন পুলিশ সদস্য গিয়ে তাদের কাছে জানতে চান, কোথায় থাকেন। বস্তিতেই থাকেন জানালে তাদের ধরে নিয়ে একটি ঘরে ঢোকায়। সেখানে নিয়েই রাইফেলের বাঁট দিয়া মারধর করে। চিৎকার দিতেই পায়ে গুলি করে দেয়।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ভুঁইয়া মাহবুব হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রবিবার রাতে পুলিশের একটি দল কল্যাণপুরের পোড়া বস্তি এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্থানীয়দের কাছ থেকে তারা খবর পান ভেতরে জুয়ার আসর বসেছে। এ সংবাদ পেয়ে তারা ভেতরে ঢুকলে পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েকজন ইট ছুড়তে থাকে। এ সময় এক সদস্যের শটগান থেকে দুর্ঘটনাবশত একটি গুলি বের হয়ে যায়। গুলিটি সাজু নামের বস্তির এক বাসিন্দার পায়ে লাগে।

ওসি জানান, খবর পেয়ে তিনি নিজেও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। আহত সাজুকে চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ সদস্য রেজদি মিয়াকে অসতর্ক থাকার জন্য সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। রেজদি মিয়া পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) কর্মরত রয়েছেন।

/জেইউ/এফএস/