অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সোমবার সংসদে ‘ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বিল-২০১৬’ সংসদে তোলেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সাতদিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন,এআইআইবি ব্যাংকের উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রধানত অবকাঠামো এবং উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে এশিয়ার টেকসই উন্নয়ন,সম্পদ সৃষ্টি ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে উৎসাহিত করা এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কাজ করে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন,ব্যাংকে বাংলাদেশের মোট শেয়ারের পরিমাণ ৬ হাজার ৬০৫টি (প্রতিটি এক লাখ মার্কিন ডলার মূল্যমান) এবং চাঁদার পরিমাণ ৬৬০ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যার ২০ শতাংশ পেইড-ইন হিসাবে বাংলাদেশের প্রদেয় চাঁদার পরিমাণ ১৩২ দশমিক ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (এক হাজার ৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা)। যা ১০ কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য। প্রতি কিস্তিতে বাংলাদেশকে প্রায় ১০৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে বলেও মুহিত জানান।
ব্যাংকের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনে নতুন আইন করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।
এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি বেইজিংয়ে নতুন আন্তর্জাতিক ব্যাংক এআইআইবি’র উদ্বোধন হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
এআইআইবি’র মূলধন ধরা হয়েছে ১০০ বিলিয়ন ডলার,যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ২০ বিলিয়ন ডলার। সদস্য হতে বাংলাদেশকে দিতে হবে ৬৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর মধ্যে পরিশোধিত মূলধন হিসেবে ১৩ কোটি ২১ লাখ ডলার এবং ৫২ কোটি ৮৪ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হবে অপরিশোধিত মূলধন হিসেবে।
বেইজিংয়ে সংস্থার সদর দপ্তরে ওই অনুষ্ঠানে চীনের জিন লিকুনকে প্রেসিডেন্ট এবং ১২ জনকে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
ইএইচএস/এমএসএম