জানা গেছে, অনিয়মিত বাংলাদেশিদের বিষয় ছাড়াও জেমস উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ বিষয়, নিরাপত্তা বিশেষ করে বিমানবন্দর নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবেন জেমস ব্রোকেন শায়ার।
সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন জেমস ১৪ ফেব্রুয়ারি দুদিনের সফরে ঢাকায় আসবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে এ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। তিনি বলেন, ব্রিটিশদের অভিযোগ, বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি যুক্তরাজ্যে অনিয়মিতভাবে অবস্থান করছেস। তারা নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করতে চান।
অনিয়মিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগেরই ভিসা বা পাসপোর্ট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে।
সরকারের আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, উগ্রবাদ ও সহিংস জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে বাংলাদেশের কিছু সফল উদাহরণ রয়েছে। সে সম্পর্কে জেমস জানতে আগ্রহী।
বিমানবন্দর নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাজ্যের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে কাজ করছে। এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ সময় নির্ধারণী একটি কর্মপরিকল্পনা যুক্তরাজ্য সরকারকে পাঠিয়েছে। এর অগ্রগতি সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হবে।
ব্রিটিশ সাংসদদের ঢাকা সফর
যুক্তরাজ্যের লেবার দলের সাংসদ স্যার কার স্টার্মারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ১৩ ফেব্রুয়ারি পাঁচদিনের সফরে ঢাকায় আসবে। প্রতিনিধি দলের অন্যর দুই সদস্য হলেন, স্টিফেন টিমস ও স্টিভ রিড। তারা রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
স্যার কার স্টার্মার লেবার দলের একজন প্রভাবশালী সদস্য এবং সংসদের ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
ইইউ সাংসদদের ঢাকা সফর
ইউরোপিয়ান সংসদের সদস্য জাঁ ল্যামবার্টের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসবেন। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
/এমএনএইচ/