পৌরসভাগুলো হচ্ছে- রংপুরের হারাগাছ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, ঝালকাঠী সদর, নোয়াখালীর কবিরহাট, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, কক্সবাজারের চকরিয়া, মহেশখালী, ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তফসিল অনুযায়ী, ১৮ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীতা যাচাই-বাছাই ও ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থীতা প্রকাশের দিন নির্ধারন করা হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ সচিব শামসুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, কমিশন ১০টি পৌরসভায় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার তফসিল এ সপ্তাহে ঘোষণার জন্য প্রস্তুতি রয়েছে। মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে এ পৌরসভাগুলোর ভোট নেওয়া হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে ৪৮টি পৌরসভা নির্বাচনের উপযোগী রয়েছে। এর মধ্যে দু’টির তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এ বলা আছে, পৌরসভা গঠনের পর প্রথম সভার তারিখ থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর পর্যন্ত ওই পৌরসভার মেয়াদ থাকবে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে আইনে উল্লেখ রয়েছে, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। নির্বাচনে অংশ নিতে হলে মেয়রদের পদত্যাগ করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ব্যাপক অনিয়ম ও সহিংসতার মধ্য দিয়ে দেশের ২৩৪ পৌরসভায় ভোট হয়। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২০টি দল এবারের পৌর নির্বাচনে অংশ নেয়। এতে আওয়ামী লীগের ২৩৪, বিএনপি ২২৩ ও জাতীয় পার্টি ৭৪ প্রার্থীসহ ৯৪৫ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন।
/ইএইচএস/এফএস/