শুক্রবার স্থানীয় একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ল্যামবার্ট বলেন, ‘ক্ষমতা হস্তান্তরের নির্ধারিত পন্থা নির্বাচনের অনেক আগেই ঠিক করে ফেলা উচিত। যে পদ্ধতিই হোক, তা নিয়ে এখনই আলোচনা শুরু করা দরকার। নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে এ বিষয়টি ঠিক করতে কেউই আগ্রহী হবে না।’
তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়টি বাংলাদেশের জনগণকেই ঠিক করতে হবে। কারণ এটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়।’
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি ‘না’ সূচক উত্তর দেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে চারটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এগুলো হলো- মানবাধিকার পরিস্থিতি, সন্ত্রাসবাদ, বাণিজ্য ও বাণিজ্য সুবিধা।’
তিনি সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বাংলাদেশে কয়েকজন সম্পাদককে নিয়ে যা ঘটছে, তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’
দলের নেতা ল্যামবার্ট বলেন, ‘ব্লগার হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। কারণ এর ফলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিঘ্নিত হয়।’
তৈরি পোশাক শিল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই ক্রেতারা যেন নায্যমূল্য দিয়ে পণ্য কেনে।
এ শিল্পের উন্নতির প্রথম স্তর সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আমরা এর অধিক পরিবর্তনকে সমর্থন করি।’
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার মধ্যরাতে ঢাকায় আসে। দলের সদস্যরা স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, আইন মন্ত্রী আনিসুল হক, বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৃহস্পতিবার তারা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ইইউ প্রতিনিধি দল
/এসএসজেড/এজে/