সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।
মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এফবিআই বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে বিনামূল্যে আলামতগুলো পরীক্ষা করছে। এছাড়া তাদেরও আগ্রহ ছিল। এ রিপোর্টগুলো পেলে আমরা গ্রেফতারকৃতদের ডিএনএ’র প্রোফাইলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখবো। এফবিআইয়ের সঙ্গে আমাদের আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ হচ্ছে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি সাতজন। এখনও তাদের গ্রেফতার করা যায়নি। আমি তাদেরই মূল আসামি বলছি যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল।’
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ব্লগার হত্যা মামলার কোনওটাই থমকে নেই। তদন্ত চলছে। বেশ কিছু মামলায় আমরা অভিযোগ দিয়েছি। ওয়াশেকুরসহ বাকি মামলাগুলোর অভিযোগপত্র শিগগিরই দেওয়া হবে। আমাদের যেমন দু-চারটি মামলার ব্যর্থতা রয়েছে তেমনি অনেক মামলায় সফলতাও রয়েছে।’
গত বছর ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে বের হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির কাছে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে অভিজিৎ রায়কে হত্যা করে। এসময় তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাও গুরুতর আহত হন। তারা দুজনেই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
/এআরআর/এআর/এফএস/