কারখানা পরিদর্শন অধিদফতরের লাইসেন্স দেওয়া শুরু

কারখানা পরিদর্শন অধিদফতরের লাইসেন্স দেওয়া শুরুদেশের সব কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, দোকান ও ঠিকাদারি সংস্থার লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করলেও এ বিষয়ে প্রচার প্রচারণা না থাকায় ঘোষণাটি এখনও তেমন কার্যকরী হয়নি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রম আইনের অধীনে এ বিষয়ে বিধিমালা জারি হলেও গত সোমবার একটি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম লাইসেন্স দিয়েছে কারখানা পরিদর্শন অধিদফতর।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিধিমালা জারি হলেও প্রচারণা না থাকায় সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি সম্পর্কে তেমন অবহিত নন।
কারখানা পরিদর্শন অধিদফতরের প্রধান পরিদর্শক সৈয়দ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সোমবার এ বিধিমালার আওতায় ঢাকা লজিস্টিকস নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শ্রম আইন অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যারা বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের আমাদের কাছ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে।’
বিধিমালা জারির ছয় মাস পরে তারা প্রথম লাইসেন্স কেন দিলেন সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর প্রধান কারণ জনসচেতনতার অভাব। লাইসেন্স নেওয়ার বিষয়টি নতুন এবং এর প্রচারণা হয়নি। সেজন্য আমরা আবেদনপত্র পাচ্ছি না।
তিনি বলেন, ‘আমরা জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা কার্যক্রম বাড়িয়েছি এবং খুব শিগগিরই সংবাদপত্রে আমরা এ বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেব এবং ওয়েরসাইটে এর প্রচারণা চালাবো।’

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৮০ লাখ অর্থনৈতিক ইউনিট আছে যারা বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী প্রতিটি কারখানা, শিল্প প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিমা প্রতিষ্ঠান, দোকান এবং ঠিকাদারি সংস্থাকে রেজিস্ট্রিকরণ ও লাইসেন্স এর জন্য নির্ধারিত ফর্মে মহাপরিদর্শকের কাছে আবেদন করতে হবে। এ লাইসেন্স এক বছরের জন্য দেওয়া হবে এবং প্রতি অর্থবছরে তা নবায়ন করতে হবে।

যদি কেউ এ লাইসেন্স মেয়াদ শেষে এক বছরের মধ্যে নবায়ন না করে তবে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।

জানা গেছে, অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে কারখানা পরিদর্শন অধিদফতরে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে এখন থেকে লাইসেন্স দেওয়া হবে।

/এসএসজেড/এসএম/টিএন/