রাজধানীর সিদ্দিকবাজারের বিস্ফোরণস্থলে গভীর রাতেও বিপুল মানুষের সমাগম। বিস্ফোরণের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বারবার চেষ্টা করার পরও ঘটনাস্থল থেকে জনতাকে সরানো যায়নি। বিস্ফোরণস্থলে তাদের কেউ ছবি তুলতে ব্যস্ত, কেউবা নিজের ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভিডিও তৈরিতে ব্যস্ত।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রাফি নামের একজন বলেন, ‘আমরা সবাই নামাজ পড়ে বের হয়েছি। বাসার পাশে এমন একটা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তাই দেখতে আর ছবি তুলতে আসছি। যদিও এখানে ভিড় করা উচিত না তবুও আসছি। চলে যাব একটু পর।’
সেলফি তোলায় ব্যস্ত নিজাম নামের আরেকজন বলেন, ‘আমার একটা ইউটিউব চ্যানেল আছে। কয়টা ভিডিও সংগ্রহ করতে এসেছি। কাছে গিয়ে ভিড় করছি না, দূর থেকেই ভিডিও করছি।’
এখনো অনেকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছেন তাদের স্বজনদের খোঁজে। ঘটনাস্থলের আশপাশে তারাও আছেন। বিস্ফোরণে নিখোঁজ সুমনের ভাই নিয়াজ মোর্শেদ তাওহীদ বলেন, ‘আমার ভাইকে এখনো পাওয়া যায়নি। অথচ উদ্ধারকারী বাহিনীরা আমার ভাইকে না খুঁজেই উদ্ধার কাজ বন্ধ করে চলে গেছে। তার খোঁজ পেতে আমরা এখানে ভিড় করেছি।’
ঘটনাস্থলে উপস্থিত নাহিদ নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘গভীর রাতেও কি ভেবে এত মানুষ, আমার জানা নেই। আমরা বারবার তাদেরকে তাড়িয়ে দিচ্ছি, কিছুক্ষণ পর আবার মানুষ এসে ভিড় করছে। যেখানে বিস্ফোরণ হয়েছে তার কাছে কাউকে যেতে দিচ্ছি না, সবাই দূর থেকে দেখছে।’
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ক্রাইম ড. খ মহিউদ্দিন বলেন, ‘উৎসুক জনতাকে বারবার সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। জনতার কারণে ফায়ার সার্ভিসের কাজে অনেকটাই বেগ পোহাতে হয়েছে।’