‘সরকারের নারীবান্ধব কৌশলের কারণে সবক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে’

সরকারের নারীবান্ধব উন্নয়ন ও নীতি-কৌশল বাস্তবায়নের ফলে গত এক যুগে সরকারি, বেসরকারি, আত্মকর্মসংস্থানসহ সব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হারে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। বুধবার (৮ মার্চ) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা সংবিধানে নারী অধিকার ও সমতা নিশ্চিত করেছেন। স্বাধীনতা অর্জনের পর জাতির পিতা নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মপরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। যার ফলে জেন্ডার সমতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ নারী উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।’

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে বেগবান করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে ‘জয়িতা’ কার্যক্রমের সূচনা করেন। জয়িতার কার্যক্রম বর্তমানে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং দেশব্যাপী নারীবান্ধব একটি বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। ‘জয়িতা’-কে কেন্দ্র করে তৃণমূল পর্যায়ে নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে আত্মবিশ্বাস, উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

জাতিসংঘের বিভিন্ন ফোরামে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতা বিধান সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে তুলে ধরে। সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে বাংলাদেশ তৃতীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে। এই কমিটি অন্যান্য কার্যক্রমের মধ্যে নারী ও শিশুর অধিকার রক্ষায় কাজ করে থাকে।