মানবপাচার রোধে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ সুপারিশ

মানবপাচার প্রতিরোধে ভালো করছে বাংলাদেশ কিন্তু এটি বন্ধে এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তার জন্য আরও অনেক করণীয় আছে বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য পাচারকারীদের আরও কঠোর শাস্তি ও মানবপাচার ট্রাইবুনালের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ মোট ১০ দফা সুপারিশ করেছে ওই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে প্রকাশিত ‘মানবপাচার রিপোর্ট ২০২৩’ প্রকাশ করা হয় যেখানে ১৮৮টি দেশের মানবপাচার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গত বছরের মতো এবারও বাংলাদেশের অবস্থান টিয়ার ২-এ (দ্বিতীয় স্তর)। এর আগে ২০২০ সালে টিয়ার ২ ওয়াচলিস্ট থেকে টিয়ার ২-এ উন্নীত হয় বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. শহিদুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ গত কয়েক বছর ধরে ক্রমাগত ভালো করছে। এই রিপোর্টে সেটির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘মানবপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত। তারা প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ আরও অনেক প্রোগ্রামে কাজ করে থাকে।’

 

সুপারিশ

১০ দফা সুপারিশে প্রথমটিতে মানবপাচার অপরাধের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া আরও ভালো করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন বিবেচনায় অপরাধীদের শুধু অর্থদণ্ড নয়, একইসঙ্গে কঠোর কারাদণ্ড দিতে হবে মানবপাচার প্রতিরোধে।

মানবপাচারের ভুক্তভোগীদের চিহ্নিত করার সুপারিশ করার পাশাপাশি ট্রাইবুনালের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ভুক্তভোগীদের জন্য সেবা বৃদ্ধি  করা, যেসব কোম্পানি বিদেশে লোক পাঠায় বা দালালদের ওপর নজরদারি বাড়ানো যাতে করে তারা কাউকে প্রতারিত করতে বা বেশি অর্থ নিতে না পারে সেটির প্রতি আরও নজর দেওয়ার আহ্বান করেছে যুক্তরাষ্ট্র।