প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, তহবিল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সিলেকশন কমিটি থাকবে। যার প্রধান হচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব। এ কমিটি অনুদানের জন্য প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশ করবেন। আর এ সুপারিশ অনুমোদন করবেন পরিচালনা বোর্ড।
সামরিক শাসনামলে জারি করা ইয়ুথ ওয়েলফেয়ার ফান্ড অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন আইন করার বিষয়ে ওই প্রস্তাব সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার ‘যুব কল্যাণ তহবিল বিল-২০১৬’ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে সেটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
উচ্চ আদালতে সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী বাতিল করায় সামরিক আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোও বাতিল হয়। ওই আইনগুলোর কার্যকারিতা রক্ষা করতে পরে নতুন আইন করার উদ্যোগ নেয় আওয়ামী লীগ সরকার।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বীরেন বলেন, যেহেতু যুব কল্যাণ তহবিল থেকে অনুদানপ্রাপ্ত যুব সংগঠনগুলো বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যুবদের বেকার সমস্যা নিরসন করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে ও তাদের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। তাই যুব সংগঠনের কার্যক্রম বৃদ্ধি, বেকার যুবগোষ্ঠীকে আত্মকর্মী হিসাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা দান ও সার্বিক উন্নয়নের মূলধারায় যুবদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে নতুন আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
/ইএইচএস/এফএস/