পুলিশে বিএনপি-জামায়াতের লোক না নিতে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ

শেখ হাসিনা‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত বিএনপি-জামায়াতের’ লোকজন যাতে পুলিশ বাহিনীতে ঢুকতে না পারে সেজন্য এ বাহিনীর কর্তা ব্যক্তিদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, অগ্নিসন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত সেই বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের লোক পুলিশ বাহিনীতে যাতে ঢুকতে না পারে সে ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। একটা সুশৃঙ্খল বাহিনীতে তারা যাতে আসতে না পারে, আশা করি এই বাহিনীর কর্মকর্তারা তা দেখবেন।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তরিকত ফেডারেশনের সংসদ সদস্য নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয় এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
পুলিশে জামায়াত ‍শিবিরের লোক রিক্রুট হচ্ছে এটা বন্ধে কোনও পদক্ষেপ নেবেন কি না- নজিবুল বশরের এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশে নিয়োগের জন্য একটি নীতিমালা রয়েছে। পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তরাই এ বাহিনীর লোক নিয়োগের দায়িত্বে থাকেন। এখানে আমরা ঠিক হস্তক্ষেপ করতে চাই না।

বিএনপি জামায়াতের ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় ও ২০১৫ সালের টানা ৯৩ দিনের আন্দোলনের প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, ওই সময় বিএনপি জামায়াত জোট যে তাণ্ডব চালিয়েছিল, সে সময় পুলিশ সদস্যরাও রেহাই পায়নি। পুলিশকেও তারা মেরেছে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছে। তাদের হাতে পুলিশ নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছে। পুলিশের ১৮/১৯ জনের মত হত্যা করেছে। কাজেই তাদের (পুলিশের) স্মরণ রাখা উচিত জামায়াত বিএনপি তাদের ওপর কী অত্যাচার করেছে। সেই জামায়াত শিবিরের লোক পুলিশ বাহিনীতে ঢোকানোর ব্যাপারে সচেতন হবে এটাই আমি আশা করি।

তিনি বলেন, যারা অগ্নিসন্ত্রাস ও জঙ্গি কার্যকলাপে লিপ্ত তারা যেন একটা সুশৃঙ্খল বাহিনীতে আসতে না পারে এটা দেখার দায়িত্ব পুলিশ বাহিনীর। আমরা আশা করি তারা তা দেখবে। সেই সঙ্গে সকল এমপিদের বলতে চাই, নিজ নিজ এলাকায় এ ধরনের কেউ পুলিশ বাহিনীতে যদি ঢুকে থাকে, সে খবর গোয়েন্দা বাহিনীর হাতে দিলে নিশ্চয়ই তারা সে বিষয়টি যাচাই করে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

ইএইচএস/এজে/