জামায়াত এবার ভিডিওবার্তায়

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীরাজপথে আন্দোলন-কর্মসূচি না থাকলেও জামায়াত নেতারা ভিডিওবার্তায় নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।দুই শীর্ষ নেতা- দলীয় ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা.শফিকুর রহমান কয়েকটি ইস্যুতে ভিডিওর মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সামনে হাজির হয়েছেন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মকবুল আহমাদ ও বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন ডা.শফিকুর রহমান।  দলীয় কর্মীদের তৈরি ফেসবুক পেজে এসব ভিডিওবার্তা প্রকাশ করা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে নেতাকর্মীদের সামনে আসতে পারছেন না ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা.শফিকুর রহমান।মাঝখানে দুজনের স্বাস্থ্য নিয়েও নানা ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে। এ নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তির আশঙ্কা থেকে যায় বলে তারা দুজনেই ভিডিওতে নিজেদের পরিস্থিতি বোঝানোর চেষ্টা করছেন।
জামায়াতের একটি সূত্র জানায়,মকবুল আহমাদ ও ডা. শফিক দুজনেই আত্মগোপনে আছেন।রাজধানীতেই দলের বিশ্বস্ত কয়েকজন অনুসারীর বাসায় পালাক্রমে বাস করছেন তারা।মকবুল আহমাদ বিগত তিন-চার মাস থেকে অসুস্থ।ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে তাকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে জামায়াতসূত্র জানায়।
একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ২০ ফেব্রুয়ারি দেড় মিনিটের একটি বক্তব্য দেন মকবুল আহমাদ।তিনি বলেন,সাহসী যুবকেরা,মুসলিম যুবকেরা যারা ইসলামের প্রেরণায় উজ্জ্বীবিত ছিলেন।ইসলামের প্রেরণায় তাদেরকে শাহাদাৎ বরণের জন্য উচ্চকিত করেছে।

বুধবার বিকাল তিনটার দিকে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে জামায়াত। দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি শফিকুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার ষড়যন্ত্রকারী, নেপথ্যের নায়ক,কুশীলব এবং বাস্তবায়নকারীদের সত্যিকারের তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।এটা দেশের দাবি এবং আমাদের দাবি।’ তার বক্তব্যটি প্রায় সাত মিনিটের।

জামায়াতসূত্র জানায়,ছাত্র শিবিরের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ টিমের তত্ত্বাবধানে ভিডিওগুলো তৈরি করা হয় এবং সেগুলো ইউটিউব,ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।প্রধান বিচারপতির সম্প্রতি দেওয়া বক্তব্য নিয়েও গত ১ ফেব্রুয়ারি ভিডিওবার্তা দেন জামায়াতের সেক্রেটারি।

এর আগে ২০১৫ সালে তিন মাসের অবরোধকালে ভিডিওবার্তা পাঠিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ। ভিডিওবার্তাগুলোতে সালাহউদ্দিন হরতালের ঘোষণা দিতেন।তবে জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতার ভিডিও মিডিয়ায় পাঠানো হয় না বলে জানিয়েছে দলটির সূত্র।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের একজন সদস্য জানান,এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু তিনি জানেন না।এটি প্রচার বিভাগের দায়িত্বশীলরা বলতে পারবেন। যোগাযোগ করলে দলটির প্রচার বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দকে পাওয়া যায়নি।

wfwWI wjsK: https://www.facebook.com/TrueVoice15/videos/516408211863523/

https://www.facebook.com/TrueVoice15/videos/514960548674956/

/এসটিএস/এজে/আপ-এপিএইচ/