বুধবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা খাতুনের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক শফিকুল ইসলাম এ চার্জশিট দেন।
মামলার আসামিরা হলেন- জহিরুল ইসলাম, নাসিমা বেগম, মেহেদী হাসান, খোরশেদ আলম,কায়কোবাদ ও মিতু আক্তার । এদের মধ্যে দুইজন পলাতক।
মামলার মূল পরিকল্পনাকারী মোতাহার হোসেন র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে গত ৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হন।
অপহরণের পাঁচ দিন পর গত ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কেরানীগঞ্জের মুগার চর এলাকার নিহত মোতাহারের বাড়ির একটি ড্রাম থেকে আবদুল্লাহর গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গত ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুরে সে অপহৃত হয়েছিল।
আবদুল্লাহর নানা মারফত জানান, আব্দুল্লাহ ছিল পরিবারের একমাত্র ছেলে । ক্রিকেট খেলার কথা বলে সে ঘর থেকে বের হয়েছিল। এরপর তাকে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা বাসার পাশের এক ফার্মেসি দোকানির মোবাইল নম্বরে এসএমএস করে জানায়, ‘সন্ধ্যার মধ্যে বিকাশ' করে সাড়ে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলে আব্দুল্লাহকে ছেড়ে দেওয়া হবে। অন্যথায় তাকে হত্যা করা হবে।’
আবদুল্লাহর নানা আরও জানান, অপহরণকারীদের শর্ত অনুযায়ী তাদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে দুদফায় মোট দুই লাখ টাকা পাঠানো হয়। এরপরই বন্ধ হয়ে যায় অপহরণকারীদের মোবাইল নম্বরটি। ঘটনার দিন রাতে আমাদের বাসায় পোশাকধারী পুলিশ হাজির হওয়ার কারণে অপহরণকারীরা তাদের মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দেয়। তার আগে এসএমএস করে অপহরণকারীরা জানিয়েছিল- ‘আপনারা পুলিশে খবর দিয়েছেন, আমরা নিষেধ করার পরও পুলিশ বাসায় আসছে কেন? বিষয়টি খুব খারাপ হয়েছে!’
এপিএইচ/